কবির হোসেন, আলফাডাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি : শিক্ষার্থীদের সাফল্যের স্বীকৃতি, শিক্ষকদের অবদানের মূল্যায়ন এবং আগামী দিনের শিক্ষার মানোন্নয়নের প্রত্যয়ে ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গার ঐতিহ্যবাহী কামারগ্রাম কাঞ্চন একাডেমিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে অভিভাবক সমাবেশ।
অনুষ্ঠানে ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জনকারী ১০ জন কৃতি শিক্ষার্থীকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। পাশাপাশি শিক্ষাক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিদ্যালয়ের দুই সহকারী শিক্ষক আবিদা সুলতানা ও মো. মহসীন আলমকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।
গতকাল সোমবার দুপুরে বিদ্যালয়ের হলরুমে আয়োজিত এ সমাবেশে ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের কাঙ্খিত সাফল্য অর্জনে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সমন্বিত ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে এবং সহকারী প্রধান শিক্ষক মোঃ কাওছার প্রামাণিকের সার্বিক তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠানে সিনিয়র শিক্ষক নাসিরউদ্দিন মিয়াসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষকমন্ডলী, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বিদ্যালয়ের সাবেক অভিভাবক সদস্য মোঃ মোনায়েম খান ও খান আমিরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জনকারী সম্মাননাপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা হলেন- নূর-এ জ্যোতি, কামরুন্নাহার মীম, জিনাত তাবাসসুম, হাবীবা ইয়াসমিন, মীম আক্তার জ্যোতি, মোছাঃ ফারিয়া, তাশফিকুর ইসলাম, মোঃ সোয়েব, সিয়াম হোসেন ও মোছাঃ আছিয়া।
এছাড়া শিক্ষাক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিদ্যালয়ের দুই সহকারী শিক্ষক আবিদা সুলতানা ও মো. মহসীন আলমকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। তাদের এই স্বীকৃতি শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতকরণে শিক্ষকসমাজের দায়িত্ব ও অবদানের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের একটি দৃষ্টান্ত বলে উল্লেখ করেন উপস্থিত অতিথিবৃন্দ।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, শিক্ষার্থীদের সাফল্যের পেছনে বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও পরিবারের সম্মিলিত ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত পড়াশোনা, শৃঙ্খলা, সময়ানুবর্তিতা ও নৈতিক মূল্যবোধ চর্চার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান তারা। একইসঙ্গে অভিভাবকদের সন্তানের পড়াশোনার প্রতি আরও যত্নশীল ও দায়িত্বশীল হওয়ার পরামর্শ দেন।
কৃতি শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সম্মাননা প্রদান এবং অভিভাবক সমাবেশের মধ্য দিয়ে কামারগ্রাম কাঞ্চন একাডেমিতে শিক্ষার প্রতি আরও ইতিবাচক ও অনুপ্রেরণামূলক পরিবেশ সৃষ্টি হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন উপস্থিত শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা।