superadmin
প্রকাশ : Aug 16, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

সরকার কথার চেয়ে কাজে বিশ্বাসী: মীর হেলাল

চট্টগ্রাম ব্যুরো : ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেছেন, দেশকে সবুজ, পরিবেশবান্ধব ও বাসযোগ্য করে তুলতে বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই। বর্তমান সরকার জনগণের কল্যাণে ঘোষিত কর্মসূচিগুলো বাস্তবায়নের মাধ্যমে মানুষের আস্থা অর্জন করছে। সরকার কথার চেয়ে কাজে বিশ্বাসী। সরকার পাঁচ বছরে ২৫ কোটি চারা রোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। শুধু সরকারের দিকে না থাকিয়ে নিজ উদ্যোগেও আপনারা বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করেন। আমি নিজ উদ্যোগে আমার এলাকায় অনেক গাছ লাগিয়েছি। আপনারাও ব্যক্তি উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ করুন।
গত মঙ্গলবার বিকেলে চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের আয়োজনে ও চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার যেমন-তেমন সরকার নয়। জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত সরকার। জনগণের কাছে জবাবদিহি করেই এ সরকার রাষ্ট্র পরিচালনা করছে।  বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে পারলে আমরা নানাবিধ উপকার ভোগ করতে পারবো। বৃক্ষ আমাদের শুধু অক্সিজেন দেয় না। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, বায়ুদূষণ কমানো, তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ, মাটির ক্ষয় রোধ এবং জীববৈচিত্র্যও সংরক্ষণ করে। গাছ বাতাস থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করে এবং অক্সিজেন ছাড়ে। একই সঙ্গে গাছের পাতা ও শাখা-প্রশাখা ধুলাবালি ও বিভিন্ন দূষিত কণা আটকে রেখে বায়ুকে পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। গাছপালা শহরের তাপমাত্রা কমাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। গাছের ছায়া ও বাষ্পীভবনের মাধ্যমে আশপাশের পরিবেশ ঠান্ডা থাকে। অন্যদিকে, গাছের শেকড় মাটিকে শক্ত করে ধরে রাখায় ভূমিক্ষয়, পাহাড়ধস ও অতিরিক্ত বৃষ্টির পানিতে মাটি ধুয়ে যাওয়া কমে। বড় গাছ বৃষ্টির পানি শোষণ ও ধরে রাখতে সাহায্য করে। ফলে জলাবদ্ধতা ও আকস্মিক বন্যার ঝুঁকিও কিছুটা কমানো যায়। শুধু পরিবেশ নয়, মানুষের জীবন-জীবিকার সঙ্গেও গাছের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। ফল, কাঠ, জ্বালানি, ঔষধি উপাদানসহ নানা প্রয়োজনীয় সামগ্রী পাওয়া যায় বৃক্ষ থেকে। গাছ অসংখ্য পাখি, কীটপতঙ্গ ও প্রাণীর আশ্রয়স্থল হিসেবেও কাজ করে। ফলে একটি গাছ কেবল একটি উদ্ভিদ নয়-এটি একটি ছোট্ট প্রতিবেশ ব্যবস্থার অংশ। তাই বৃক্ষ রোপণ শুধু সৌন্দর্য বাড়ানোর উদ্যোগ নয়; এটি সুস্থ পরিবেশ, নিরাপদ ভবিষ্যৎ ও টেকসই জীবনের জন্য একটি অপরিহার্য বিনিয়োগ।
মীর হেলাল বলেন, আমরা এক লাখ দেড় লাখ গাছ লাগানোর কথা বলি। কিন্তু বাস্তবে গিয়ে সেখানে সঠিক তথ্য পাওয়া যায় না। এটি অত্যন্ত দুঃখজনক। আমরা এমনটা চাই না। আমরা যেটা বলবো, সেটা বাস্তবায়ন করবো। কিছু দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা গাছ কেটে বিক্রি করে, যার কারণে পরিবেশ ধ্বংস হয়। আগে যে পরিমাণ গাছ কেটে সাবাড় করা হয়েছে সেটি পূরণ করতে আমাদের নিয়মিত বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জাবিতে ২১ বোতল বিদেশি মদসহ শিক্ষার্থী আটক, এক বছরের জন্য বহি

1

বগুড়া জেলায় শ্রেষ্ঠ রোভারদল হিসেবে সৈয়দ আহম্মদ কলেজকে পুরস্ক

2

বেগম জিয়ার ছায়াসঙ্গী ফাতেমা এখন জাইমা রহমানের ভরসা: এক নিঃস্

3

তাড়াশে আশ্রয়ণ প্রকল্প এখন মাদকসেবী-জুয়াড়িদের আখড়া

4

যানজট নিরসনে নতুন আশার আলো: মেট্রোরেলের রুট সম্প্রসারণ ও বর্

5

সোনারগাঁয়ে পূর্বশত্রুতার জেরে বিএনপির কর্মীকে পিটিয়ে হত্যা

6

জলঢাকায় জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত

7

কুড়িগ্রামে রবীন্দ্রজয়ন্তী উদযাপন

8

শিশুরা নিজেদের গড়ে তুললে দেশ সঠিকভাবে গড়ে উঠবে : প্রধানমন্ত্

9

ইরান যুদ্ধ নিয়ে যা জানি তাতে রাতে ঘুম আসে না: ইতালির প্রতিরক

10

সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে চন্দনাইশে বন্য

11

বাবা–ছেলের জুটিতে ৫৯০ রান, একজনের ব্যাটে ৪২ ছক্কায় ৪০২

12

হোসেনপুরে খাল খনন কাজের উদ্বোধন করলেন এমপি মাজহারুল ইসলাম

13

আগৈলঝাড়ায় বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ পালিত

14

ডেঙ্গুতে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১২৪

15

সাবেক আইজিপি বেনজিরকে ফেরাতে নথিপত্র পাঠানো হয়েছে : স্বরাষ্ট

16

‘হামরা গরিব মানুষ, পুরা রমজান মাস টিসিবির মাল পাইলে উপকার হয়

17

নবীগঞ্জের চোখ হারানো আলিফের পরিবারের পাশে এনসিপি

18

জ্বালানি তেলের নতুন মূল্য তালিকা প্রকাশ করল সরকার

19

চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মার ভয়াল ভাঙ্গন ॥ বিলীন দুই শতাধিক ঘরবাড়ি

20
ফটোকার্ড বানাতে ক্লিক করুন